1. admin@www.shikhatvlive.com : news :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক বেতন সরকারি নিয়মে উত্তোলনের ব্যবস্থা চাই।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মে, ২০২২
  • ১৫ ,৫২৫০ বার পড়া হয়েছে

 

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিন ধরে মাসিক সরকারি অংশ উত্তোলন ১ থেকে ৩ কিংবা ৫ তারিখের মধ্যে উত্তোলন করতে সক্ষম হয়নি আজও।এই ডিজিটাল যুগেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক সরকারি অংশ দেখা যাচ্ছে ছাড়ের পর উত্তোলনের সর্বশেষ তারিখ বেধে দেওয়া হয় ৭ থেকে ১২ তারিখ কিংবা তারও বেশি সময় পর্যন্ত। এই নির্দিষ্ট তারিখ অতিবাহিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা উত্তোলন করতে পারে না সরকারি অংশ। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক সরকারি অংশ উত্তোলনের তারিখ রয়ে গেল এনালগ যুগে তার কোন পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন আজও হলো না। অনেক সময় সরকারি অংশ যথাসময়ে উত্তোলন করা সম্ভব হয় না ব্যাংকে এমপিও সীট না পৌছানোর কারণে। এমনকি মাঝে মধ্যে নির্দিষ্ট তারিখও অতিক্রম করে। প্রতিটি পেশায় দেখা যাচ্ছে মাসিক বেতন ৩০ থেকে ২ তারিখের মধ্যে উত্তোলন করতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের বেতন ভাতা চলে যায় নিজ নিজ একাউন্টে। শুধু মাত্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের ভোগান্তিতে পড়তে হয় মাসিক সরকারি অংশ উত্তোলন করতে। অপেক্ষা করতে হয় উত্তোলনের সর্বশেষ তারিখ পর্যন্ত। বেশির ভাগ সময় দেখা যাচ্ছে এমপিও সীট যথাসময়ে ব্যাংকে পৌছায় না সরকারি অংশের। সরকারি অংশ ছাড়ের পর দেখা যাচ্ছে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে ব্যাংকে এমপিও সীট পৌছানোর জন্য সময় লেগে যায় এক সপ্তাহের বেশি সময়। এতে শিক্ষকরা চরম হতাশায় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। যেহেতু সরকারি অংশ ছাড় হয় ২৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে আর উত্তোলনের সময় বেধে দেয়া হয় সর্বনিম্ন ৭ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক তাই এত অবহেলা। প্রায় প্রতিটি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ এই সরকারি অংশের ওপর নির্ভরশীল। যথাসময়ে সরকারি অংশ উত্তোলন না করার কারণে অনেক শিক্ষককে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। ধারদেনা করে সংসারের ভরণপোষণ করতে হয়। সমাজব্যবস্থায় পড়তে হয় বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন। অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় কখন উত্তোলন করা যাবে সরকারি অংশ। বর্তমান সময় যেহেতু ডিজিটাল যুগ। এই ডিজিটাল যুগে এমনটা কাম্য হতে পারে না। মুহূর্তের মধ্যে যেখানে সম্পূর্ণ বিশ্বের তথ্য জানা যায়। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এই সরকারি অংশ মুহূর্তের মধ্যে ব্যাংকে জমা হওয়া সম্ভব নয় কেন? আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মনে করি আমাদের সরকারি অংশ যারা নিয়ন্ত্রণ করেন সেই সমস্ত কর্মকর্তা এবং কর্মচারী বৃন্দ যদি একটু সহানুভূতি দেখায় তাহলেই আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মুক্তি পেতে পারি বহুদিনের যন্ত্রণার হাত থেকে। আর কতকাল বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরকারি অংশ ছাড়ের পর অপেক্ষায় থাকতে হবে ব্যাংকে এমপিও সীট জমা হওয়ার জন্য । নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ব পর্যন্ত ব্যাংকে জমা হয় না সরকারি অংশ। এই সরকারি অংশ ছাড়ের সাথে সাথে যদি প্রতিটি শিক্ষকের নিজ নিজ একাউন্টে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হত তাহলে দীর্ঘদিনের হতাশা কিছুটা হলেও লাঘব হতো বেশিক জীবনে।
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা উপমন্ত্রীর নিকট বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিনীত অনুরোধ এই যে, আপনারা শিক্ষকদের সার্বিক দিক বিবেচনা করে যথাসময়ে মাসিক সরকারি অংশ উত্তোলনের ব্যবস্থা করুন। শিক্ষক সমাজ আপনাদের এই অবদানের কথা চিরকাল স্মরণে রাখবে।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ কামাল হোসেন
সহকারী শিক্ষক (গণিত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত