1. admin@www.shikhatvlive.com : news :
সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দিয়েছি, সবাই কথা বলতে পারেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকাসহ দেশের যেসব জায়গায় আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বছরের প্রথম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ চলছে হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক নওগাঁ নিয়ামতপুরে এক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে  অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ নিয়োগ জালিয়াতির  অভিযোগ । বিয়ের আশ্বাসে ইউপি সদস্যকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ রাজশাহীর পবায় মোটরসাইকেল ও মাটিকাটা ট্রাকটরের সংঘর্ষে নিহত তিন মেয়ের সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষিকার আত্মহত্যা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক বেতন সরকারি নিয়মে উত্তোলনের ব্যবস্থা চাই। নাটোরে গৃহবধূকে ধর্ষণ ,ধর্ষক গ্রেফতার

চাঁদপুরে জমি আত্মসাতের অভিযোগ:শিক্ষামন্ত্রীর ভাইসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৫ ,৫২৫০ বার পড়া হয়েছে

 

 

সরকারি জমি আত্মসাতের অভিযোগ এনে শিক্ষামন্ত্রীর বড়ভাই ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপুসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৪৮ একর সরকারি সম্পত্তি প্রতারণার মাধ্যমে রেজিস্ট্রি দলিল করে মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বাদী হয়ে
সহকারী জজ মো. মহিউদ্দিনের আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন।

 

এ মামলায় শিক্ষামন্ত্রীর ভাই ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু ছাড়াও আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে –সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী, মো. মুনছুর আহম্মদ, শিক্ষামন্ত্রীর চাঁদপুরের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের নামও রয়েছে।

 

এছাড়াও এ মামলায় দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে আসামি করা হয়েছে – আ. ফারুক সরদার, আবুল সরদার, ঢাকার মিরপুরের নুর মোহাম্মদ, মাসুম হোসেন, শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের পিয়ারা বেগম, আকলিমা বেগম, তছলিমা বেগম, মো. সুমন মিয়া রিদয়, ফাহিমা আক্তার, মো. শরীফ মিয়া, হাইমচরের নূর মোহাম্মদ, লক্ষ্মীপুরের জয়নাল আবেদীন মোল্লা, মিরপুরের মাজেদা বেগম, মো. নাছির মৃধা, মো. রাসেল, হাসিনা আক্তার, শাহীনা বেগম, মোহাম্মদপুরের মো. সালাউদ্দিন, মো. ফিরোজ ইকবাল।

তৃতীয়পক্ষের আসামি করা হয়েছে হাইমচর উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রারকে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই তৎকালীন সাবরেজিস্ট্রার অসীম কল্লোলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপুসহ প্রথম ৫ জন হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নের বাহেরচরের নদী সিকস্তি ৪৮ দশমিক ৫২৫০ একর ভূমি ৬টি দলিলে মার্চ, এপ্রিল ও জুলাই মাসে সাফ-কবলা ও দানপত্রের মাধ্যমে দ্বিতীয়পক্ষের আসামিদের কাছ থেকে নিজেদের নামে লিখে নেন। উক্ত ভূমি সিএস জরিপকালে নদী সিকস্তি অবস্থায় ছিল।

পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে সরকারি স্বত্বস্বার্থ বজায় রাখার জন্য ও রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে ৪/৭৭-৭৮ রিসেটেলমেন্ট মামলার মাধ্যমে হাতনকশা তৈরি করে এবং হাতে লেখা এ, বি, সি, ব্লক নামকরণে একটি জমাবন্দি তৈরি করা হয়। সেই সঙ্গে চাষাবাদ করার জন্য স্থানীয় কৃষকদের বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো প্রকার কবুলিয়তনামা দলিল সম্পাদিত হয়নি। সরকারি স্বার্থে দাখিলার মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আদায় করা হতো। এ অবস্থায় উক্ত জমিতে ভোগ দখলরত চাষি কোনো স্বত্বস্বার্থ উপজাত হয়নি।

জানা যায়, সিএস, আরএস, বিএস জরিপকালেও ওই জমি জলমগ্ন থাকায় কোনো জরিপ করা সম্ভব না হওয়ায় ভূমির দাগ খতিয়ান ও মৌজার নম্বর হয়নি। এ অবস্থায় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক গত বছরের ৩১ আগস্ট এ মৌজার জরিপকাজ সম্পন্ন করার জন্য ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে চিঠি দেন।

নালিশি ভূমিতে ২য়পক্ষের বিবাদীগণের(আসামি) কোনো প্রকার স্বত্বস্বার্থ ছিল না, এখনো নেই। রিসেটেলমেন্ট মোকদ্দমামূলে সরকারি রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে তাদের শুধুমাত্র ভোগদখল করার জন্য দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ২য়পক্ষের বিবাদীরা উক্ত ভূমির প্রতি অন্যায় ও বেআইনিভাবে আর্থিক লাভবান হওয়ার জন্য প্রথমপক্ষের বিবাদীগণকে একেআর বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে হস্তান্তর করে বলে বাদীপক্ষ সম্প্রতি জানতে পারে। হস্তান্তরের এমন কোনো অধিকার তাদের নেই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এই ৪৮ একর সম্পত্তি গ্রহীতা বিবাদীগণ এবং অপর বিবাদীরা দাতা হিসেবে হাইমচর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দলিলগুলো সৃজন করায় সরকারপক্ষের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তাই এ দলিলগুলো যোগসাজশ, তঞ্চকতামূলক হওয়ায় তা অকার্যকর ও বাতিল করার আবেদন জানানো হয়। সেই সাথে মোকদ্দমার খরচ ও ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।

এ মামলার বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দাউদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা সরকারপক্ষে মামলা দায়ের করেছি- সরকারি সম্পত্তি সরকারের কাছে নিয়ে আসার জন্য। এ মামলায় ৫ জন জমি গ্রহীতা এবং ১৯ জন জমিদাতা এবং একজন সাবরেজিস্ট্রারকে বিবাদী(আসামি)করা হয়েছে।

আমরা ৪৮ একর জমির দলিল পেয়েছি জানিয়ে তিনি বলেন, শুধুমাত্র এ জমি উদ্ধারেই মামলা হয়েছে। উনারা আরও জমি নিয়েছেন কিনা বা আরও বেশি দখল করেছেন কিনা তা এখানে আসেনি।

সাবরেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি জানেন এখানে জরিপ হয়নি। এগুলো সরকারি জমি। তারপরও তিনি কীভাবে রেজিস্ট্রি করলেন। যদি আমরা রায় পাই তখন তো এ দলিলগুলো বাতিলের জন্য তাকে অর্ডার দেবে।

সাবেক সাবরেজিস্ট্রার অসীম কল্লোল সম্পর্কে জেলা প্রশাসক আরও জানান, আগের যে সাবরেজিস্ট্রার ছিলেন তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে হওয়ায় আমরা ইতোমধ্যেই তার অপকর্ম সম্পর্কে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত