1. admin@www.shikhatvlive.com : news :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন

আগামী বাজেটে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাই।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২
  • ৪৯ ,৫২৫০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবুল হোসাইন

স্বাধীন বাংলাদেশে বহু বছর ধরে বহমান শিক্ষা ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য। সরকারি, বেসরকারি এমপিওভুক্ত এবং নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা এই তিন ধারায় বিভক্ত। দেখা যাচ্ছে, ধাপে ধাপে প্রতি বছর কিছু প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন করা হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজন সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা এক সঙ্গে জাতীয়করণ করা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা।
আজ বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সমান শিক্ষাগত যোগ্যতা একই থাকার পরেও সরকারি এবং বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিরাট তারতম্য বিরাজমান। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া পায় (৪০-৫০) শতাংশ পর্যন্ত আর বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পায় নাম মাত্র ১০০০ টাকা। সরকারি শিক্ষকরা চিকিৎসা ভাতা পায় ১৫০০ টাকা আর বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পায় মাত্র ৫০০ টাকা। সরকারি শিক্ষকরা পায় সন্তানের শিক্ষা ভাতা। সেক্ষেত্রে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বঞ্চিত। সরকারি শিক্ষকরা পায় সল্প সুদে গৃহঋণ যা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় নেই।
সরকারি শিক্ষকদের পেনশনের সুযোগ সুবিধা আছে যা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নেই। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পায় এক কালীন অবসর এবং কল্যাণ তহবিলের সুযোগ সুবিধা। অবসর এবং কল্যাণ তহবিল মিলে একজন শিক্ষক পাবে সর্বশেষ স্কেলের ১০০ মাসের সমতুল্য মাসিক বেতন তাও আবার শর্তে ঘেরা। সর্বশেষ স্কেলের ১০০ মাসের মাসিক সমতুল্য বেতন পেতে হলে কমপক্ষে ২৫ বছর চাকরি করতে হবে। এই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের সুযোগ সুবিধা পাবার শর্ত হিসেবে কর্তন করা হয় মূল বেতন থেকে ১০ শতাংশ। যার কারণে একজন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকের মূল বেতনের সিংহভাগ চলে যায়। যার ফলে অনেক কষ্টে জীবন অতিবাহিত করতে হচ্ছে।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
# নেই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা। বর্তমানে যা বহমান আছে তাহলো মূল বেতনের ২৫ শতাংশ।
# নেই পেনশনের সুযোগ সুবিধা।
# নেই স্বল্প সুদে গৃহঋণের ব্যবস্থা।
# নেই সন্তানের শিক্ষা ভাতা।
# নেই বদলি ব্যবস্থা।
আজ দেখা যাচ্ছে, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নেই। বদলি প্রথা না থাকার কারণে পরতে হচ্ছে বিভিন্ন সমস্যায়। ম্যানেজিং কমিটির দ্বারা দেখা যাচ্ছে, কারণে কিংবা অকারণে শিক্ষকদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। কেউ কেউ আবার চাকরি হারাচ্ছেন। শিক্ষকরা মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন অত্যাচারের ভয়ে । শিক্ষক লাঞ্ছিতের হার দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে । বদলি প্রথা না থাকার কারণে মা,বাবা এমনকি পরিবার বর্গকে সঠিক ভাবে দেখাশোনা করা যাচ্ছে না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত আকুল আবেদন এই যে, আগামী বাজেটে সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের উদ্দেশ্যে অর্থ বরাদ্দ রাখার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
মহাসচিব
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক সমিতি
কেন্দ্রীয় কমিটি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত