1. admin@www.shikhatvlive.com : news :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

সুন্দরবন এলাকায় ভারতীয় স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো কচ্ছপ উদ্ধার

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৩৪ ,৫২৫০ বার পড়া হয়েছে

 

সুন্দরবন এবং তার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে ভারতীয় স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো চারটি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুর বাস্কা কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রথম কচ্ছপটি পটুয়াখালীতে পাওয়া যায়। উদ্ধারের সময় কচ্ছপের গায়ে স্যাটেলাইটসহ মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্বিতীয় কচ্ছপটি গত সপ্তাহে বাগেরহাটের মিঠাখালী এলাকায় এক জেলের জালে আটকা পড়ে। জেলেরা শহরে কচ্ছপটি বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে সুন্দরবনের করমজল বাটাগুর বাস্কা প্রকল্পের স্টেশন ম্যানেজার ও বন বিভাগের সদস্যরা খবর পেয়ে এটি উদ্ধার করে।

এরপর গত বুধবার সুতারখালী নদীতে জেলেদের জালে আরেকটি স্যাটেলাইটযুক্ত কচ্ছপ আটকা পড়ে। সর্বশেষ গতকাল শনিবার খুলনার দিঘলিয়ায় আরেকটি স্যাটেলাইটযুক্ত কচ্ছপ স্থানীয় জেলের জালে আটকা পড়ে। জীবিত পাওয়া সবগুলো কচ্ছপই করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন-কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিরল প্রজাতির এই কচ্ছপের গায়ে ট্রান্সমিটার বসানোর কারণ জানতে চাইলে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের বাটাগুর বাস্কা প্রজেক্টের স্টেশন ম্যানেজার বলেন, ‘মূলত বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এ বাটাগুর বাস্কা কচ্ছপের গতি ও আচরণবিধি, বিচরণক্ষেত্রে, খাদ্যাভ্যাস এবং প্রজনন সম্পর্কে জানার জন্য ভারতের টাইগার প্রজেক্ট গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দেশটির সজনেখালী এলাকার কুলতলীতে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসানো ১০টি পুরুষ কচ্ছপ ছাড়া হয়’।

বিলুপ্তপ্রায় এই বাটাগুর বাস্কা প্রজাতির কচ্ছপটি এক সময় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারে ছিল। বর্তমানে দেশগুলোর উপকূলীয় এলাকায় ২/১টির অস্তিত্ব আছে। সেগুলো দিয়েই গবেষণার কাজ করছেন গবেষকরা। এই গবেষণা প্রকল্পের মধ্যে দেশি বিদেশি মোট ৪টি সংস্থা কাজ করছে। সংস্থাগুলো হলোঃ বাংলাদেশ বন বিভাগ, প্রকৃতি ও জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের কচ্ছপ সংরক্ষণ বিষয়ক সংস্থা ‘টার্টেইল সার্ভাইভাল অ্যলায়েন্স’ এবং ভিয়েনা চিড়িয়াখানার গবেষণা দল ‘ভিয়েনা জু’।

২০১৮ সালে মূলত এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরপর ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে মোট ১৫টি স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারযুক্ত কচ্ছপ সুন্দরবনের ৪৩নং কম্পার্টমেন্ট এলাকা কালিরচরে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবমুক্ত করা হয়। মাত্র ১৫টি কচ্ছপ নিয়ে কাজ শুরু হলেও এই কয়েকবছরে এদের সংখ্যা চারশ ছাড়িয়ে গেছে।

কচ্ছপের পিঠে বসানো এই ট্রান্সমিটারগুলোর মেয়াদ ১ বছর। এরপর এটি নিজেই খসে পড়ে। এই সময়ের মধ্যেই কচ্ছপগুলোর চলাফেরা, খাওয়া দাওয়া এবং আচরণ সম্পর্কিত সব তথ্য সংগ্রহ করা হয়

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত