1. shikhatvlive@gmail.com : Shikha TV Live :
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

ভাঙনে বিলীন হচ্ছে পাকা রাস্তা ও মসজিদসহ বসতঘর

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১ ৫০০০ বার পড়া হয়েছে

 

ভাঙনে বিলীন হচ্ছে পাকা রাস্তা ও মসজিদসহ বসতঘর

মাদারীপুর জেলায় পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ, কুমার নদ, পালরদী, ময়নাকাটা, বিল পদ্মাসহ ছোট-বড় সাতটি নদনদীতে পানি বেড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন। এতে পাকা রাস্তা, বসতবাড়ি, দোকানপাটসহ ফসলি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের ভয়ে অনেকেই বাড়িঘর ও দোকানপাট অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

ভাঙনকবলিত এসব এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে নদীভাঙন ঠেকাতে কাজ করে যাচ্ছে মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটের কালীবাড়ি ফিডার সড়কের গোয়ালবাথান উত্তরপাড়া নামক স্থানে প্রায় ১০০ মিটার পাকা সড়ক কুমার নদে বিলীন হওয়ার পথে। সড়কটির বেশিরভাগই নদে চলে গেছে। ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো সড়কটি নদে বিলীন হয়ে যেতে পারে। আর এ সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে বিদ্যানন্দী মাঠের হাজার হাজার একর জমির ধান নদের পানিতে তলিয়ে যাবে।

এ ছাড়া সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন টেকেরহাট বন্দরসহ উপজেলা সদরে চলাচল করেন নিলখী, কবিরাজপুর ও হরিদাসদী মহেন্দ্রী ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

এদিকে টেকেরহাটসংলগ্ন শংকরদী গ্রামের মুন্সীপাড়া একটি জামে মসজিদ ও লাবলু মুন্সী, কেনাল মুন্সী, তানভীর মুন্সী, তৈয়ব মুন্সী, আসমত মুন্সী, লুৎফর মুন্সী, রফিকুর মুন্সীর বসতঘরসহ প্রায় ২০টি বসতঘর নদীভাঙনের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। বিগত কয়েক বছরে এই এলাকা থেকে প্রায় ৩০টি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় অনত্র গিয়ে বসবাস করছে বলেও জানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

রাজৈরের গোয়ালবাথান এলাকাবাসীর অনেকেই জানান, কুমার নদ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখনই ভাঙন প্রতিরোধ করা না হলে বিদ্যানন্দী মাঠের সব ফসলি জমি নদের পানিতে ডুবে যাবে।

এদিকে মাদারীপুর শহরসংলগ্ন পুরনো ফেরিঘাট এলাকায় গত কয়েক দিনে চারটি বসতবাড়ি ও তিনটি দোকান পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। কয়েকটি দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে স্থানীয় লোকজন। এরইমধ্যে নদীতে চলে গেছে কয়েকটি বসতবাড়িও। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে আরো কয়েকটি বসতবাড়ি ও এলাকার মসজিদসহ আরো প্রায় ৩০টি দোকান।

মহিষেরচর এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রতি বছর বর্ষার মৌসুম আসলেই ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। বিগত দিনেও এই এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি দোকানপাট নদীতে বিলীন হয়েছে। গত বছর বেশ কিছু জিওব্যাগ ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু এবার এখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা। যদি এভাবে প্রতি বছর নদীভাঙতে থাকে তা হলে একদিন এই পুরনো ফেরিঘাট নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভাঙন ঠেকাতে কুমার নদের কয়েকটি স্থানে জিওব্যাগ ফেলানো হচ্ছে।

শিক্ষা টিভি লাইভ এর সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত