1. shikhatvlive@gmail.com : Shikha TV Live :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এমপিওভুক্ত শিক্ষক মোকাররম হোসেন এর আবেগঘন খোলা চিঠি বিয়েবাড়িতে ছবি তোলা নিয়ে গোলাগুলি, আহত ২৪ পরিবারের আয়ের পথ না থাকায় তারা বাধ্য হয়েই কাঁকড়া শিকারের কাজে নেমেছেন, স্কুলে ফেরানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এখনো সংক্রমণের খবর আসেনি : শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রুলের শুনানি শেষ, রায় অপেক্ষামান সাধারণ পর্যটক হিসেবে মহাকাশ ঘুরে এলেন চার পর্যটক লক্ষ বেকারের আস্তা ও বিশ্বাসের প্রতিক রিং আইডি।। তরুণ উদ্যোক্তা সাহাবুর সকলের সহযোগিতা চায়। নাটোরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত রাতের অন্ধকারে ঘরের দুয়ারে চিরকুটসহ টাকা রাজশাহীতে ভুল চিকিৎসায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে শিশু রাফি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের খোলা চিঠি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ১২৩ ৫০০০ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা টিভি লাইভ ডেস্ক
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষক ও শিক্ষা বান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার সমীপে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের খোলা চিঠি:

বরাবর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও,
ঢাকা-১২১৫ ।

বিষয়: স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও ঐতিহাসিক মুজিব শতবর্ষে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও sdg-4 বাস্তবায়নে সাত (৭) দফা দাবি বাস্তবায়নের আবেদন।

মহাত্মন,

সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা সরকারি মাধ্যমিকে কর্মরত শিক্ষকগণ দীর্ঘদিন ধরে একই পদে কর্মরত থেকে মাধ্যমিক সেক্টরের অতীব গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সেবা করে আসছি। আপনার সদয় নির্দেশনা ও অনুশাসনের আলোকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর-পরিদপ্তরের কর্মচারীদের কর্মরত বিদ্যমান পদের উন্নয়ন (আপগ্রেড) এর কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমরা সরকারি মাধ্যমিকে কর্মরত শিক্ষকগণ যুগের পর যুগ একই পদ ও গ্রেডে “সহকারী শিক্ষক” (১০ম গ্ৰেড) পদ ধারণ করে রাষ্ট্রের সেবা করে আসছি। কিন্তু অদ্যাবধি আমাদের পদকে আপগ্রেড করে নবম গ্রেডে উন্নীত করার দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। যদিও আমাদের প্যারালাল অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমগ্রেডের পদের উন্নয়ন ঘটিয়ে দশম থেকে নবম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে।

তাছাড়া অতিসম্প্রতি-দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি মাধ্যমিকে সিনিয়র শিক্ষক পদ সৃষ্টি করে সেখানে কর্মরত শিক্ষকদের ৫০ ভাগ শিক্ষককে সিনিয়র শিক্ষক (৯ম গ্ৰেড) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সকল নিয়োগ শর্ত পালন করেও এবং পদোন্নতির সকল যোগ্যতা অর্জন করা সত্ত্বেও প্রায় এক হাজার ৮০০ জন সহকারী শিক্ষক সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন। যদিও এই শিক্ষকগণের প্রত্যেকেই ইতোমধ্যে নবম গ্ৰেডের অনুরূপ আর্থিক সুবিধা ভোগ করছেন কিন্তু এই পদোন্নতি বঞ্চিত হয়ে তারা শিক্ষক হিসেবে তাদের কাঙ্ক্ষিত মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, উক্ত পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকদের মধ্যে আপনার সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ, বিশেষ করে ২০১০ ও ২০১১ ব্যাচে নিয়োগপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শিক্ষকগণ ও এই পদোন্নতি থেকে ছিটকে পড়েছেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব বর্ষে যা’ এই সেক্টরে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনার।

সঙ্গত কারণে বেদনায় নীল হয়ে থাকা পদোন্নতির যোগ্য বাকি শিক্ষকদের এই মুজিববর্ষে পদোন্নতি দিতে ৫০ ভাগের স্থলে “শতভাগ” পদোন্নতি (আট বছর পূর্তিতে) নিশ্চিত করার মাধ্যমে অথবা পদোন্নতি যোগ্য বাকি এক হাজার আটশ সহকারী শিক্ষককে (যারা ইতোমধ্যে পদোন্নতির যোগ্য শিক্ষকের তালিকাভুক্ত হয়েছেন) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে পদোন্নতির সুব্যবস্থা করতে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

একই সাথে, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও ঐতিহাসিক মুজিববর্ষে মাধ্যমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও শিক্ষক বান্ধব সদাশয় সরকারের প্রধান, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে সরকারি মাধ্যমিকে কর্মরত ১১ হাজার শিক্ষকের পক্ষ থেকে আগামী বিজয় দিবস দিবস-২০২১ (১৬ ডিসেম্বর) এর মধ্যে বাস্তবায়নের (সহজে বাস্তবায়নযোগ্য) লক্ষ্যে বিনয়ের সাথে নিচের সাত (০৭) দফা দাবি তুলে ধরছি….

১) মাধ্যমিক শিক্ষায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে ও ধরে রাখতে কালবিলম্ব না করে আমরা এখনই এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড চাই।

(নোট: দীর্ঘদিন ধরে এটি ১০ম গ্রেড রয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দপ্তর/ পরিদপ্তরের বিদ্যমান পদের উন্নয়নে/ পদের আপগ্ৰেডের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন)

২) এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড বাস্তবায়নের পূর্ব পর্যন্ত ০৮ বছর পূর্তিতে সকল সহকারী শিক্ষককে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি দিতে হবে।

(নোট: এই পর্যায়ে কর্মরত শিক্ষকগণ ইতোমধ্যে প্রত্যেকেই নবম গ্রেডের আর্থিক সুবিধা ভোগ করছেন, সুতরাং তাদেরকে পদোন্নতি দিয়ে মর্যাদা দিলে সরকারের আর্থিক কোনো ক্ষতি হবে না)

৩) একই অধিদপ্তর হওয়া সত্ত্বেও মাধ্যমিক শিক্ষা এবং শিক্ষকদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিমাতাসুলভ আচরণ এখনি বন্ধ করতে হবে।

(নোট: সত্যি কথা বলতে কি এত বৃহৎ একটি সেক্টর পরিচালনা করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের জন্য অনেক ক্ষেত্রে চেক এন্ড ব্যালেন্স করা সম্ভব হয়ে ওঠে না ফলে প্রশাসনিক কিছু সমস্যার কারণে আমাদের মাধ্যমিক সেক্টরে অনেক ক্ষেত্রেই তারা সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না, আর এজন্য অধিদপ্তর আলাদা হওয়াটাই সব থেকে সহজতর সমাধান বলে আমরা মনে করি)

৪) শিক্ষকদের নিয়মিত পদোন্নতি নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য পদসোপান ঘোষণা করতে হবে।

(নোট: ইতোমধ্যে পদসোপান সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন হয়েছে ও পদসোপান এর একাধিক প্রস্তাবনা বিবেচনাধীন রয়েছে)

৫) শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মোতাবেক মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য “পৃথক মাধ্যমিক অধিদপ্তর” বাস্তবায়ন করতে হবে।

(নোট: শিক্ষা ব্যবস্থাপনা দক্ষতার সাথে ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনা এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য পূরণে মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য আলাদা অধিদপ্তর এর কোনো বিকল্প নেই। আর, সেজন্য ই ২০১০ এর শিক্ষানীতিতে সুস্পষ্টভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে ভেংগে “মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর” এবং “উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তর”করার ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে)

৬) সরকারি মাধ্যমিকে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ও কর্মরত শিক্ষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ সাপেক্ষে ১৯৮৩ সালের বাতিলকৃত আত্তীকরণ বিধিমালা দ্রুত সংশোধন সাপেক্ষে গেজেট প্রকাশ করতে হবে।

(নোট: এ কাজটিও চলমান রয়েছে তবে দ্রুত আলোর মুখ দেখা দরকার)

৭) রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও অগ্রগতির সাথে সাথে পর্যায় ক্রমে মাধ্যমিক শিক্ষাকে “জাতীয়করণ” করতে হবে।

(নোট: ইতোমধ্যে “মধ্যম আয়ের” দেশের সক্ষমতা অর্জন করতে যাচ্ছে প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ এবং আশা করা যায় আমাদের এদেশ একদিন উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে; আর তাই রাষ্ট্রের অগ্রগতি ও উন্নয়নের সাথে সাথে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে অবশ্যই মাধ্যমিক শিক্ষাকে “জাতীয়করণ” করতে হবে-এটা সময়ের অনিবার্য দাবি)

অতএব, মহোদয় সমীপে প্রার্থনা- মুজিব শতবর্ষে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক গতিশীলতা আনয়নের মাধ্যমে sdg-4 অর্জন ও সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধিতে উপর্যুক্ত মানবিক ও যৌক্তিক দাবি সমূহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন এবং সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির যোগ্য শিক্ষকের তালিকাভুক্ত (সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতির বাইরে থাকা) শিক্ষকদের আপনার নির্বাহী আদেশে পদোন্নতি দানের সুব্যবস্থা করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।

বিনীত-
সরকারি মাধ্যমিক এ কর্মরত সাধারণ শিক্ষকদের পক্ষে-

আপনার একান্ত বিশ্বস্ত

মোঃ ওমর ফারুক
ব্যাচ-২০১১

(মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও রণাঙ্গনের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান)

সহকারী শিক্ষক (বাংলা)
কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা।

সাংগঠনিক সম্পাদক
সরকারি মাধ্যমিক স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ স্বাশিপ
কেন্দ্রীয় পরিষদ

সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস), খুলনা জেলা কমিটি; খুলনা।

#মোবাইল নম্বর: ০১৭১৬-৩৬৩১১০
#ই-মেইল: omurfaruknghs12@gmail.com

শিক্ষা টিভি লাইভ এর সংবাদ শেয়ার করুন

One thought on "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের খোলা চিঠি"

  1. Fazlul Haque says:

    অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, আশাকরি দাবী গুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিবেচনায় নিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত