1. shikhatvlive@gmail.com : Shikha TV Live :
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ক্লিনিক ডায়াগনষ্টিক হাসপাতাল সেন্টার ।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
  • ৩০ ৫০০০ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,

ঠাকুরগাও পৌর শহরে ২০০২ইং সালে প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র ছিল হাতে গোনা ২–৩ টি । এখন ৮–১০ বছরের ব্যবধানে শুধু পৌর শহরে এর সংখ্যা প্রায় ৪০–৫০টি । বাকি ৫টি থানায় তো রয়েছে আরো অসংখ এ রকম প্রতিষ্ঠান। এবার ভাবুন! পাঠক হিসাব করুন ? কি পরিমান লাভ হলে ৮-১০ বছরের অল্প সময়ে এতো গুলো প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র হয় । শুধু কি তাই দিনাজপুর রংপুর নীলফামারী সহ ঢাকা থেকেও আসে অর্থের লোভে ডাঃ নাকি নামধারী -একমাত্র এই প্রথম বিশেষ্য বলে মাইকিং হয় প্রতি বুধবার – বৃহস্পতিবার, সহ যে কোন দিন,যে কোন বিষয়ে শব্দ দূষন বলে,যে কথাটি–আইনটি আছে তারও কোন তোয়াক্কা করেন না এই সব প্রতিষ্ঠানের মালিক বাবু গন। বেশ নামি দামি গাড়ীও আসে বৃহস্পতিবার –শুক্রবার,ছোট এই শহরে । কিছু দিন আগে ঠাকুরগাঁও জেলার স্বাস্থ বিভাগের বড় কর্তা বাবু । সিভিল সার্জন সাহেবের কাছে জানতে চেয়ে ছিলাম ঐ সমস্ত বহিরাগত ডাক্তার বাবু দের ব্যাপারে নিজ ঠাকুরগাঁও জেলায় কর্মস্থল থেকে ২৪–৪৮ঘন্টা না থেকে এ ঠাকুরগাঁও জেলায় আসার রহস্যটা কি? জবাবে বলে ছিলেন যে যত বড় মাপের ডা: বা বিষেশঙ্গ ডা. হোক না কেন তার তার কর্মস্থল থেকে অন্য জেলায় গিয়ে রোগি দেখা, অপারেশন করা সাস্থ সেবা আইন পরিপন্থি। পৌর সভার ভিতরে যেসব প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান চিকিৎসার নামে বানিজ্য করছে তা দেখার জন্য যেন কোন কর্তা বাবু নেই । তাইতো ঘটছে একটার পর একটা দূর্ঘটনা এসব এখন ঠাকুরগাঁও জেলার সবারই জানা। এমন কি মামলা,হামলা ,জেল জরিমানা সহ ক্লিনিকের ষ্টাফ ,মালিক ঢাকা হাইকোটেও যেতে হয়েছে জামিনের জন্য। আগের সিভিল সার্জেন ডাঃআফজাল হোসেন তরফদার সম্প্রতিক কালে হয়ে গিয়েছিলেন জেলার শ্রেষ্ট সিভিল সার্জন একি অবাক কান্ড । অবশ্য এখন তিনি এই জেলায় নেই। গনমাধ্যম কর্মী সহ সুসিল সমাজের ব্যাক্তিরা এবং স্বাস্থ সেবা কমিটির সদস্যরা স্বাস্থ সেবা কমিটির মিটিং এ ব্যাপারে একাধিক বার অভিযোগ করেও কাজের কাজ হয় না। প্রাইভেট স্বাস্থ সেবার কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেন এক দূর্বিসহ ব্যাপার । যেমন ধরুন প্রাইভেট ক্লিনিকে একটি রোগির অপারেশন হয়েছে । কিন্তু ঐ অপারেশন রোগিটির কি অপারেশন হয়েছে? কোন বিশেষঙ্গ ডাক্তার অপারেশন করেছেন? আসলেই সেই ডাঃঐ বিষয়ে ডিগ্রি ধারি কি না? এ্যানেসটিশিয়া ডাঃ কে ছিলেন ? সেই ডাঃ কি আসলেই এ্যানেসটেশিয়ার উপর ডিগ্রি ধারি ?এসিসটেন ডাঃ কে ছিলেন? অপারেশনের আগে ও পরে ঐ অপারেশন রোগীটিকে সার্বক্ষনিক কে দেখবেন ? ঐ ক্লিনিকে এমবিবিএস ডা. ও ডিপ্লোমা ধারি নার্স কয় জন ? অপারেশনের আগে কোন ডাঃ ২৫/৩০টি আইটেমের একটি ঔষধ এর লম্বা স্লিপ লিখে দিয়ে ছিলেন? যার মুল্য ৪-৬ হাজার টাকা। অপারেশনের ঐ রোগীটিকে বহিরাগত দালাল,বা পল্লী চিকিৎসক সহ অন্য কেউ অর্থের লোভে এনে দিয়েছিলেন কিনা? অপারেশন রোগীটির ঔষধ কে সরবারহ করেছিল? রোগীর অবিবাহক না ক্লিনিক কতৃপক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী ঐ রোগীটির যে ঔষধ সর্বরাহ করবে রোগীর অভিবাহক অন্যথা যদি কোন ক্লিনিক কতৃপক্ষের অনুমদোন কৃত/বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সদস্য পদ সহ ফার্মাসিস্ট হয়ে ক্লিনিকের ভিতর নিজেস্ব দোকান থাকে তাহ হলে অপারেশনের রোগীর ঔষধ সরবরাহ করতে পারবেন। পাশাপাশি ঔষধ বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের মালিকের নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে যা অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লাগে বলে আমাদের জানা নেই । একটি ঔষধ বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের অনেক রকম সরকারী কাগজ পত্র লাগে। উদাহারন স্বরুপ নুন্যতম এস,এস,সি পাশ সহ ছয় মাসের ফার্মেসি পাশের সার্টিফিকেট ,স্বাস্থ মন্ত্রনালয় থেকে ড্রাগ লাইসেন্স ,ট্রেড লাইসেন্স , ইনকাম ট্যাক্স , ভ্যাট তো ঔষধ প্রতিষ্ঠানে ঢুকার আগেই অবশ্যই পরিশোধ যোগ্য । স্থান ভেদে পাকা ঘড়,কিছু, কিছু ঔষধের তাপমাত্রা সংরক্ষনের জন্য ফ্রীজ সহ বিভিন্ন ঔষধের মেয়াদ উত্তির্ন হয়েছে কিনা দেখা , ধুলোবালী পরিস্কার করা সহ আরো অনেক নিয়ম কানুন আছে । এবং কি শুধু বিক্রি করে দায় শেষ নয়, বিশেষ বিশেষ স্থানে ঔষধ বিক্রি হোক আর না হোক সারা রাত প্রতিষ্ঠানটি খোলা রাখতেই হবে। এ যে শুধু ব্যাবসাই নয় পাশাপাশি মানব সেবাও বটে!
প্রিয় পাঠক এত কিছু লেখার পেছনে রয়েছে ঔষধ ব্যবসাইদের ন্যায্য কিছু দাবি। তাহল প্রাইভেট ক্লিনিক হাসপাতাল গুলি ঔষধ সর্বরাহ করছে ৯৫% হারে । যা কিনা নিম্ন মানেরও বটে । আর এ নিম্ন মানের ঔষধের কথাটা প্রায় গনমাধ্যম সহ খোদ সরকারের স্বাস্থ অধিদপ্তর থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়। ঔষধ ব্যবসাইরা ঔষধ কম্পানির প্রতিনিধিদের কাছে ঔষধ ক্রয় করে থাকে মাত্র ১০%থেকে ১২% হারে । কিন্তু ব্যাংকে যে কোন ধরনের অর্থলোন নিতে গেলে গুনতে হয় ১৫%থেকে ১৮% হারে তাতেও অনেক ঝামেলা । তাহলে ভাবুন ঔষধ ব্যাবসায়ীরা অর্থনৈতিক ভাবে কতটুকু ভাল আছে। অপর দিকে কিছু ঔষধ কম্পানির প্রতিনিধীরা যাদের ঢাল নেই তলোয়ার নেই তাদেরকে বানিয়েছেন নিধিরাম সর্দার । অর্থাৎ ঔষধ সর্বরাহের নিয়ম নিতিকে তোয়াক্কা না করে ঔষধ বিক্রি করছে অর্ধেক দামে ক্লিনিক প্রাইভেট হাসপাতাল সহ গ্রাম থেকে গ্রামে পল্লী চিকিৎসকদের কাছে,এবং কি বাজারে চট বিছিয়ে ঔষধ বিক্রি করে তাদেরকেও দিচ্ছে নিম্ন মানের জীবন রক্ষাকারী ঔষধ কম দামে।বেসরকারি সেবাদান কারী প্রতিষ্ঠান গুলি ঔষধ সহ কন্ট্রাক করছেন অপারেশনরোগীদের । বিষয়টা সাখের করাতের মত।একাধিক ঔষধ ব্যবসায়ী ভাইদের দাবি সম্প্রতি ঠাকুরগাও জেলায় ঔষধ অধিদপ্তর থেকে বিষয় গুলি দেখভাল করার জন্য ড্রাগ সুপার পদে নিয়জিত রয়েছেন একজন ড্রাগ সুপার কর্তা বাবু।জিনি কিনা চাইলেই অনিয়ম গুলি নিয়মে আনতে পারেন। জেলায় রয়েছেন স্বাস্থ দপ্তরের সুনাম ধন্য ও গনমাধ্যমের ক্ষেত নামা জেলার স্রেষ্ঠ সিভিল সার্জেন পদবীতে একজন কর্তা বাবু ডা.নজরুল ইসলাম সহ ডক্টরস এসোসিয়েশন ,ড্যাব ও সচিব দের সংগঠন সহ জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ,পুলিশ সুপার ও সরকারের জন প্রতিনিধি ,সুশিল সমাজ বিষয়টি সুদৃস্টিতে নিয়ে বিবেচনা করবেন এমটাই আশা ঔষধ ব্যবসায়ীদের । কয়েক জন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে জানায় উল্যেখিত সমস্যা গুলি থেকে আমাদের অচিরেই সমাধান করবেন । আর না হলে কিছুদিনের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও জেলার ব্যবসায়ীরা জীবন জাপন করবেন মানবেতর

শিক্ষা টিভি লাইভ এর সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত