1. shikhatvlive@gmail.com : Shikha TV Live :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এমপিওভুক্ত শিক্ষক মোকাররম হোসেন এর আবেগঘন খোলা চিঠি ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে ১৪ দিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে মেয়েটির অবস্থান । অবশেষে মাদরাসার গ্রন্থাগারিকরাও শিক্ষক মর্যাদা পেলেন মানবিক ইউএনওঃ দন্ডের পরিবর্তে দিলেন খাদ্য সহায়তা গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের ঈদ উপহার দিলেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা করোনায় দেশে ২২৮ জনের মৃত্যু! মৌলভীবাজারের সুমারাই মনুনদীর পাড় থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার। পদ্মায় নৌকা ডুবে মোটরসাইকেল হারালেন রাজিব সিরিজ জয়ে ১৯৪ রান করতে হবে টাইগারদের পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির ২ চালককে দায়ী করে পদ্মা ৯৪ বছর বয়সে বিয়ের গাউনে স্বপ্নপূরণ

ডা. নাজনীন হত্যা মামলা: আপিলে আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ১৫ ৫০০০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট |

রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালের চিকিৎসক নাজনীন আক্তার ও তার গৃহকর্মীকে হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে আসামি আমিনুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিপরীতে আসামির করা আপিল আবেদন খারিজ করে সোমবার (১২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

জানা যায়, ল্যাব এইডের চিকিৎসক ছিলেন ডা. নাজনীন আক্তার। তার স্বামী আসারুজ্জামান আপন ভাগ্নে আমিনুলকে ঢাকায় আনেন লেখাপড়া করানোর জন্য। ভর্তি করেন মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে। কিন্তু ২০০৫ সালের ৭ মার্চ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর নাজনীনকে কুপিয়ে হত্যা করেন ভাগ্নে আমিনুল। পারুল নামের গৃহকর্মী তা দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে হত্যা করে সে। এরপর সে বগুড়ায় চলে যায়। সেখান থেকে ফরিদপুরে। কয়েকদিন পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ধানমন্ডি থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় ২০০৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০১৩ সালে হাইকোর্ট ঐ রায় বহাল রাখে। এর বিরুদ্ধে আপিলের উপর চলতি বছরের ৭ জুলাই শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে আসামি পক্ষে অংশ নেন রাষ্ট্রনিযুক্ত কৌসুলি এবিএম বায়েজীদ।

শুনানিতে তিনি বলেন, সুবিচার ও মানবিকতার স্বার্থে আপনারা (বিচারপতি) যেটা ভালো মনে করবেন সেই সিদ্ধান্ত নেন। কারণ আসামি যদি বেরিয়ে লেখাপড়া করে মানুষ হতে পারে? এ পর্যায়ে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা বলেন, কোনটিকে মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে বলছেন। যিনি এই মামলায় নিহতের একজনকে ১৮টি কোপ দিয়েছেন। আরেকজনকে দিয়েছেন সাতটি। এমনভাবে আক্রমণ করেছেন ঐ চিকিৎসক কোন ধরনের প্রতিরোধ করতেই পারেননি। এ পর্যায়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ বলেন, ঐ চিকিৎসকের দুহাত জুড়ে কোপের দাগ। আর আঙ্গুলগুলো ছিলো বিচ্ছিন্ন। এরপরই ১২ জুলাই পর্যন্ত শুনানি মুলতুবি করে আপিল বিভাগ।

শিক্ষা টিভি লাইভ এর সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত