1. shikhatvlive@gmail.com : Shikha TV Live :
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এমপিওভুক্ত শিক্ষক মোকাররম হোসেন এর আবেগঘন খোলা চিঠি বগুড়ায় ‘বঙ্গবন্ধু মাচাং’ উদ্বোধন করায় যুবলীগ নেতা বহিষ্কার গফরগাঁওয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে তবে নেই কোন সচেতনতা। মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা ব্যবহারকারীকে ফেরত দিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এর নির্দেশ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধকরণে নির্দেশনা বাংলাদেশ সফর স্থগিত করল ইংল্যান্ড ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও ১ জনকে আটক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ মাস বিনাশ্রমে কারাদণ্ড প্রদান করেন । ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে মসজিদ উন্নয়নের জন্য ৫০ (পঞ্চাশ হাজার)টাকা অনুদান দিলেন — এমপি পুত্র মাজহারুল ইসলাম সুজন । নাটোর লালপুরে লকডাউনের ১১তম দিনে ৪ ব্যাক্তিকে জরিমানা বানিয়াচংয় প্রত্নতত্ত্ব সম্পদে ভরপুর, তবে নেই কোন রক্ষণাবেক্ষণ।। গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

আগামী পবিত্র ঈদুল আজহায় সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা সহ পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা চাই। (বাবেশিস)

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ৮৩ ৫০০০ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা টিভি লাইভ ডেস্ক

বছরের পর বছর যায় তবুও পূরণ হয়নি এখনো পর্যন্ত বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শাখার শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতার।
বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষক কর্মচারীরা চরম হতাশায় জীবন যাপন করে আসছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কেড়ে নিয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাপন। প্রতিটি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাদে আয়ের উৎস বলতে কিছু নেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শিক্ষক কর্মচারীরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক ভাবে সরকারি অংশ দ্বারা শিক্ষক কর্মচারীদের জীবন যাপন করা সম্ভব হয় না। প্রত্যেককে তাই বাড়তি আয়ের উৎস খোঁজতে হয়। আজ সে আয়ের উৎসও বন্ধ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সবাইকে করে দিয়েছে অসহায়। সারা বিশ্বের জীবন যাত্রায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে । কাজ কর্মের নেই স্বাভাবিক পরিবেশ। বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়েছে। আজ বাংলাদেশে সকল পেশার মানুষের জীবন যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। সকল পেশার মানুষের আয়ের উৎস বন্ধ। বিশেষ করে শিক্ষকদের জীবন যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে বর্তমান সময়ে শিক্ষকদের ও আয়ের উৎস বন্ধ। ব্যয় আছে আয় নেই। জীবন চলার পথ স্থবির হয়ে গেছে। জীবন অতিবাহিত হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত এবং স্বীকৃতি প্রাপ্ত নন- এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অচলাবস্থা। নেই কোন বাড়তি ইনকাম। সংসার চালাতে তাই বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। অনেক শিক্ষক কোন উপায় না পেয়ে দিনমজুরের কাজ সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মহামারির এই সময়ে আরেক মহামারি দেখা দেওয়ার পথে। চারদিকে চলছে হাহাকার আর হাহাকার। যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে ততই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষকরা। কোন বিকল্প আয়ের উৎস না থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে সংসারের ভরণপোষণ সামাল দিতে শিক্ষকদের। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করবে শিক্ষকরা? বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, লোক লজ্জার ভয়ে মুখ খুলতে পারতেছেনা শিক্ষকরা। নিরবে অভাবের যন্ত্রণা সহ্য করতে হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। অনেকে আবার এই চাকরির আয়ের উৎসের উপর নির্ভরশীল।


সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা। অভাব অনটনের মধ্যে অতিবাহিত করতে হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জীবন। সরকারি অংশ বাদে উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ হারে পেয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এই সামান্য উৎসব ভাতায় উৎসবের আনন্দ আজ প্রায় ম্লান হওয়ার পথে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের মূল্যের সাথে তাল মিলিয়ে জীবন চলার পথ কঠিন থেকে কঠিন হচ্ছে স্বল্প আয়ের শিক্ষকদের। বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। অনেকের আবার নুন আনতে পানতা ফুরায় অবস্থা। সরকারি অংশ বাদে আয়ের উৎস বলতে কিছুই নেই। নাম মাত্র বাড়ি ভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা পায়। পরিবার বর্গের আশা পূরণ করা একজন শিক্ষকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোন উপায় না পেয়ে তাই ধারদেনা করে স্বপ্ন পূরণ করতে হয় সকলের। প্রতিটি মুহূর্তে হিমশিম খেতে হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জীবনযাপনে।পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে তাই পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈষম্যের অবসানকল্পে। দিন পাল্টাচ্ছে, যুগের পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু দুঃখের বিষয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আজও হলো না ভাগ্যের কোন পরিবর্তন। ভাগ্যের চাকায় জং ধরে গেছে। কেউ নেই দেখভাল করার। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা আজও রয়ে গেল চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে। বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে কিন্তু বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহু দিনের লালিত স্বপ্ন সরকারি ন্যায় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতার। দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় অতিবাহিত হচ্ছে তবুও উৎসব ভাতার হলো না কোন পরিবর্তন। ২০০৪ সাল থেকে আজও পর্যন্ত সেই উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বহাল রয়েই গেল বেশিক জীবনে। যে সামান্য বাড়ি ভাড়া, উৎসব ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তা দিয়ে বাড়ি ভাড়া,উৎসব ভাতা কিংবা চিকিৎসা ভাতা দিয়ে সংসারের ভরণপোষণ সহ কোন প্রয়োজনই মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা। বাংলাদেশের কোথাও বর্তমানে এই ১০০০ টাকায় বাড়ি ভাড়া পাওয়া সম্ভব নয়। সর্বনিম্ন বাড়ি ভাড়া গ্রামাঞ্চলে যেখানে ৪০০০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকা এবং শহরাঞ্চলের বাড়ি ভাড়া সর্বনিম্ন ১০০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা। এমতাবস্থায় শিক্ষকরা বাকি টাকা কোথায় পাবে? চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা যেখানে ডাক্তার ফি সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এই সামান্য উৎসব ভাতা দিয়ে সংসারের ভরণপোষণ সহ উৎসবের আসল উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ।
বর্তমান সময়ে মহান জাতীয় সংসদে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের পক্ষে সোচ্চার এমপি মহোদয় বৃন্দ। অভিনন্দন জানাচ্ছি সে সব এমপি মহোদয় বৃন্দকে যারা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবীর পক্ষে কথা বলেছেন।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এই বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করতে তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিনীত অনুরোধ আপনি সার্বিক দিক বিবেচনা করে পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে সরকারি ন্যায় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতার ঘোষণা দিয়ে বৈষম্যমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতিকে উপহার দিবেন সেই কামনা করি আমরা। এই মুজিববর্ষেই বৈষম্যের অবসান করে আমাদের মুক্তি দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় আমাদের বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করুন। শিক্ষক সমাজ চিরকাল স্মরণে রাখবে আপনার এই অবদানের কথা।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
মহাসচিব
বাবেশিস (কেন্দ্রীয় কমিটি)

শিক্ষা টিভি লাইভ এর সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত